• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
২০২৩ সালের ২৮ জুলাইয়ের গ্রেপ্তার ও কারাভোগের স্মৃতি তুলে ধরলেন সুনামগঞ্জ জেলা যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা হাওরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা আরও গতিশীল করতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ তাহিরপুরে সাংবাদিক আ:মান্নানের মেয়ে মমতা আক্তার জুঁইয়ের বিবাহ সম্পন্ন কৃতিত্বের সঙ্গে এলএলবি সম্পন্ন করলেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মো. রাহুল রোটারি ক্লাব অব সিলেট ইম্পেরিয়ালের ২০২৬-২৭ বর্ষের প্রথম সাপ্তাহিক সভা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতার হামলায় আহত ছাত্রদল নেতা ধর্মপাশায় বিএনপি নেতাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের প্রতিবাদে ধর্মপাশায় সংবাদ সম্মেলন অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ উত্তোলনের অভিযোগ, পিআইও বললেন-এমপি অবগত ছিলেন সুনামগঞ্জে র‍্যাব-৯, পুলিশ, ডিএনসি ও জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১, দুইজনের কারাদণ্ড ফারুক আহমদের অর্থায়নে শান্তিগঞ্জে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প

২০২৩ সালের ২৮ জুলাইয়ের গ্রেপ্তার ও কারাভোগের স্মৃতি তুলে ধরলেন সুনামগঞ্জ জেলা যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা

Reporter Name
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

এম আর সজিব,নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত মহাসমাবেশকে ঘিরে গ্রেপ্তার ও কারাভোগের স্মৃতি তুলে ধরেছেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের একাধিক নেতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্মৃতিচারণমূলক পোস্টে তারা দাবি করেন, ওই সময় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের শিকার হন এবং পরবর্তীতে কারাভোগ করেন।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের নেতৃত্বে জেলার অসংখ্য নেতাকর্মী ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই কেন্দ্রীয় মহাসমাবেশে অংশ নিতে ঢাকায় অবস্থান নেন। রাতে বিশ্রামের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
স্মৃতিচারণে যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন আহমেদ রিপন বলেন, প্রথমে তাদের মিরপুর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গভীর রাতে দারুস সালাম থানায় স্থানান্তর করা হয়। পরদিন আদালতের মাধ্যমে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে তারা প্রায় ২৪ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
পোস্টে আরও দাবি করা হয়, সে সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ধরপাকড় ও রাজনৈতিক হয়রানি চালানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘ কারাভোগের পর আল্লাহর রহমতে জামিনে মুক্তি পেয়ে তারা আবারও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন।
স্মৃতিচারণে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন,সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. শামসুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. মনাজ্জির হোসেন, জেলা যুবদলের ১ম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তফাজ্জল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুল হক কালারচাঁন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মো. সোহেল মিয়া ও মো. শাহজাহান মিয়া, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল আলম, জেলা শ্রমিকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সালাহ উদ্দিন, জেলা যুবদলের সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন আহমেদ রিপন এবং তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. তাবারক হোসেন।


More News Of This Category