স্টাফ রিপোর্টার সুনামগঞ্জ : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হাওর অঞ্চলে অতি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মধ্যনগর ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত ২,২০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মধ্যে ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ৫৮২ জন এবং চামরদানী ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত ১,৮৮১ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মধ্যে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৬৫৪ জন কৃষকের মাঝে পৃথকভাবে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
মধ্যনগর ইউনিয়নের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সঞ্জীব রঞ্জন তালুকদার (টিটু), মধ্যনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কবির হোসেন, সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কামাল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বিপ্লব তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অন্যদিকে, চামরদানী ইউনিয়নের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর খসরু, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ বিপ্লব চৌধুরী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন, ইউপি সদস্য আনিসুজ্জামান (আনু), ইউপি সদস্য নির্মল রায়, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব লিটন মিয়া, ইউপি সদস্য মিন্টু তালুকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তালিকাভুক্ত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে পর্যায়ক্রমে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ করা হবে।
তবে বিতরণ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দেয়। তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বলে দাবি করে অনেক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও অনেকেই তালিকায় স্থান পাননি, আবার তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত বা অযোগ্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বঞ্চিত কৃষকদের ভাষ্য, “আমাদের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে, কিন্তু কোনো সহায়তা পেলাম না। যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের অনেকের নাম তালিকায় নেই। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকরা প্রশাসনের কাছে স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে তালিকা সংশোধন এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানান