• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
চোর সন্দেহে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও চিকিৎসক, আনসার সদস্য ও হাসপাতাল কর্মীদের মানবিক উদ্যোগে স্বজনদের খুঁজতে পুলিশি সহায়তা শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন সেবার মানে সন্তো প্রকাশ,ডাঃ ফোয়ারা তাসমীম সুনামগঞ্জে ১৭ বছরের কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হাবিবুর রহমান ওরফে (হাবিব) গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জ তাহিরপুরে ১৩ লাখ টাকার ফুচকা জব্দ, চোরাচালান চক্রের ৫ সদস্যসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে একক দখলচেষ্টার প্রতিবাদে অপরাংশের তালা ফতেহপুরে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা, সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের আহ্বান দোয়ারাবাজারে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে সার্জারি সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন, রোগীদের আস্থা বাড়াচ্ছেন ডা. এম. এ. আওয়াল সোহেল সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দিলেন মিজ শাকিলা রহমান মৌলভীবাজারে আশুরার তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত

দোয়ারাবাজারে জঙ্গলে বটবৃক্ষের নিচে ‘আস্তানা’ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক  

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

নুরুজ্জামান (দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে শতবর্ষী পঞ্চায়েতের কবরস্থানের নির্জন জঙ্গলে পীর পরিচয়ে দিন কাটাচ্ছেন গয়াছ মিয়া (৩৫)। স্বপ্নাদিষ্ট পীর পরিচয়ের আড়ালে চলছে গাঁজা-মদের রমরমা আসর, রাতভর অসামাজিক কার্যকলাপ। পবিত্র কবরস্থানে এই অপতৎপরতায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। (১৯ জুন শুক্রবার) স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান, গয়াছ মিয় দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি হত্যা মামলার প্রধান আসামি। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দীর্ঘ কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফেরেন। বাজিতপুর ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া বলেন, ‘গয়াছ স্বীকারোক্তি দেওয়া খুনি। সে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে জঙ্গলে আস্তানা গেড়েছে। এতে গোটা এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারামুক্তির পর গয়াছ দাবি করেন, স্বপ্নে ‘অজ্ঞাত পীরের নির্দেশে’ তিনি কবরস্থানে এসেছেন। এখানে তিনি জিন সাধন করেন এবং মানুষজনকে আধ্যাত্মিক সহযোগিতা করেন। গয়াছ মিয়া এই আধ্যাত্মিক আবরণ ব্যবহার করে বাজিতপুরের গহীন জঙ্গলে শতবর্ষী বটবৃক্ষের নিচে বাঁশ-বেত দিয়ে গড়ে তোলেন দোতলাঘর। বাজিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহীন আলম বলেন, ‘গয়াছ চিহ্নিত ভন্ড। সে নির্জনে পীর সেজে মাদকের আখড়া তৈরি করেছে। সন্ধ্যা হলেই জঙ্গলে শুরু হয় মাদকসেবীদের আড্ডা। চলে রাতভর গাঁজা-মদের আসর।’ বাজিতপুর জামে মসজিদের সভাপতি সুনুর মিয়া বলেন, এটি শত বছরের পবিত্র কবরস্থান। এখানে মৃতদের আত্মার শান্তির জন্য আমরা দোয়া করি। সেই পবিত্র জায়গায় মদ-গাঁজার আসর বসানো সম্পূর্ণ হারাম । ভন্ড গয়াছের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাই। দোয়ারাবাজার মডেল থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


More News Of This Category