• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
দীর্ঘ ১০ মাস পর দায়িত্বে ফিরলেন জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত সুজন সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে ৪ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জেলা প্রশাসনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ২ জন হাসপাতালে ভর্তি দোয়ারাবাজারে জঙ্গলে বটবৃক্ষের নিচে ‘আস্তানা’ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক   দিরাই পৌরসভা নিবার্চনে মেয়র পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এড.ইকবাল হোসেন চৌধুরী চামরদানী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা এম শহীদ

আগামী নির্বাচন সরকারি দলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হবে

Reporter Name
Update : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের মনে করেন, যেসব কারণে শ্রীলঙ্কা দেউলিয়া হয়েছে, তার সব লক্ষণই বাংলাদেশে শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কার মতো বাংলাদেশেও রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও আমলা—এই তিন গোষ্ঠীর যোগসাজশে দেশের টাকা বিভিন্নভাবে লুটপাট ও বিদেশে পাচার হচ্ছে। এই ট্রায়াঙ্গেল (ত্রিভুজ যোগসাজশ) থেকে রক্ষা পেতে গেলে নির্বাচনব্যবস্থা সুষ্ঠু হওয়া দরকার।

তাঁর ধারণা, বর্তমান সরকার যে করেই হোক, আবারও ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করবে। এ ক্ষেত্রে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) একটা শান্তিপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। তবে দেশে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ২০২৩ সালে একেবারে সাজানো নির্বাচন করা সহজ হবে না। ক্ষমতার নিয়ামক শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টি ভবিষ্যতে ওই সিদ্ধান্তই নেবে, যা জনগণের স্বার্থের পক্ষে যায়। এমন আরও অনেক বিষয়ে তিনি খোলামেলা কথা বলেছেন। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি সেলিম জাহিদ

  • রাজনীতিক, ব্যবসায়ী ও আমলা—এই ত্রিভুজ যোগসাজশে যে লুটপাট চলছে, সেটা থেকে রক্ষা পেতে সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার।
  • একেবারে সাজানো নির্বাচন করা এবার সহজ হবে না।
  • দেশ শ্রীলঙ্কার পথে যাচ্ছে।
  • সরকার একটা ভালো রকম চক্করে পড়ে গেছে।
  • জাতীয় পার্টি আর আওয়ামী লীগের ‘বি টিম’ নেই।

 

আপনি প্রায় বলেন দেশে একনায়কতন্ত্র চলছে, এক ব্যক্তির শাসন চলছে। এভাবে বলার সাহস পান কীভাবে?

জি এম কাদের: উৎস আমার নিজের বিবেক। আমি সত্য কথা বলছি। এটা আমি আগেও বলতাম, হয়তো সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। কারণ, আমার সে রকম অবস্থান ছিল না রাজনীতিতে। কিন্তু যখনই যেকোনো রাজনীতিক বিষয়ে প্রশ্ন এসেছে, মোটামুটি সত্যটা বলার চেষ্টা করেছি। এখন কথাগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। হয়তো আমার বয়স, অভিজ্ঞতার কারণে কথাগুলো আরও গুছিয়ে বলতে পারছি এবং সাধারণ জনগণ তা গ্রহণ করছে।

জি এম কাদের: আমি যা বলি তথ্য-উপাত্ত দিয়ে বলি, যুক্তি দিয়ে বলি। তথ্যগুলো একেবারে টেক্সট বুক যেমন সংবিধান, অথবা কোনো সরকারি সংস্থা বা কোনো বেসরকারি গবেষণা সংস্থা—এগুলো থেকে তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করে বলি। এখন যেটা বলেছি একনায়কতন্ত্র—১৯৯০ সালের পর আমাদের সংবিধানে যখন সংসদীয় গণতন্ত্র এল, তখন থেকেই বলছিলাম, এটা সংসদীয় গণতন্ত্র তো মোটেই নয়, এখানে গণতন্ত্র আছে বলেই আমার মনে হয় না।
খেয়াল করলাম, প্রতিবার সরকার গঠনের পর কিছু না কিছু পরিবর্তন করে এটাকে (সংবিধান) পুরোপুরি একনায়কতন্ত্রের দিকে নিয়ে গেছে। বর্তমান সরকার এসে পঞ্চদশ সংশোধনী করে সংবিধানকে একনায়কতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাওয়াই শুধু নয়, ওটাকে একনায়কতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে তৈরি করেছে। কফিনের শেষ পেরেক ছিল ষোড়শ সংশোধনী। নিম্ন আদালত শতভাগ, উচ্চ আদালত রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রভাবের আওতাধীন। প্রশাসন তো নির্বাহী বিভাগের প্রধান হিসেবে সরকারপ্রধানের হাতে থাকেই, সংসদ—সেটিও সংবিধানের ৭০ ধারার কারণে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান স্তম্ভ এবং সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। তাতে করে একনায়কতন্ত্রটা যে পুরোপুরি চালু আছে, এ বিষয়টা তো একেবারে পরিষ্কার।


More News Of This Category