মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জ এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং চিকিৎসা অনুশীলন ও ব্যক্তিগত ক্লিনিক এবং পরীক্ষাগার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ১৯৮২-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে আনিকা ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ডক্টরস চেম্বারের মালিক আব্দুল আজিজকে ১০ হাজার টাকা, বিশ্বম্ভরপুর ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ডক্টরস চেম্বারের মালিক মো. নাজমুল হাসানকে ১৫ হাজার টাকা, মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ডক্টরস চেম্বারের মালিক আবুল কাহারকে ১৫ হাজার টাকা এবং পলাশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ডক্টরস চেম্বারের মালিক আবু সিদ্দিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
র্যাব জানায়, সেবা গ্রহণকারীদের স্বাস্থ্য ও জীবন সুরক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সেবার মান ও পরিচালনা পদ্ধতি যাচাই করা হয় এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়।
র্যাব-৯ আরও জানায়, জনস্বার্থে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।