• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
রানীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ঘাগটিয়া ঈদগাহ ও খেলার মাঠের জমি রক্ষায় মতবিনিময় সভা সুনামগঞ্জে ২ দিন ব্যাপী নৃত্য কর্মশালার শুভ উদ্বোধন। সড়ক নিরাপত্তায় শান্তিগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযান, জরিমানা ১৭ বাসকে BD Iconic-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফিজ মো. এনাম উদ্দিনকে বিশেষ সম্মাননা মক্কায় বিডি আইকনিকের গ্র্যান্ড ওপেনিং ও আইকনিক ইউনিটি গ্রুপের দ্বিতীয় এজিএম,হাজী জয়নাল আবেদীন পীরসহ বিশিষ্ট অতিথিদের সম্মাননা মক্কায় বিডি আইকনিকের উদ্যোগে উমরাহ হাজীদের সম্মাননা, সম্মানিত জয়নাল আবেদীন পীর প্রবাসের উপার্জনে নিজ গ্রামে আলোর দ্যুতি, ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ আবুল কালাম ডলুড়া চলতি নদীতে সিসি ক্যামেরা, অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন ঠেকাতে ওসি রতন শেখের নতুন উদ্যোগ ইতালি প্রবাসী ইমরানের জন্মদিনে প্রবাসী সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থার শুভেচ্ছা

দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাসেল আহমেদকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার ২ নম্বর দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাসেল আহমেদকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য (মেম্বার) হিসেবে দেখতে চান ওয়ার্ডের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট, আলোচনা ও মতামত প্রকাশ পাচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে তাকে ঘিরে নির্বাচনী আগ্রহও বাড়ছে।

দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডটি কাউয়ানি, সানুয়া, মাকরদী, নোয়াবন, হাতপাঠন, ঘাসী ও শিশুয়া—এই সাতটি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এসব গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে রাসেল আহমেদের যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
মাকরদী গ্রামের বাসিন্দা উনু সরকার বলেন, “রাসেল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। আমরা চাই, তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ পান।”
সানুয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন সরকার বলেন, “রাসেলকে নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং সবার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে চলেন। তাই তাকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই।”
নোয়াবন গ্রামের বাসিন্দা উত্রম সরকার বলেন, “জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। রাসেল আহমেদের মানুষের সঙ্গে সেই যোগাযোগ রয়েছে। তিনি প্রার্থী হলে আমরা তাকে নিয়ে ইতিবাচকভাবে ভাবছি।”
হাতপাঠন গ্রামের বাসিন্দা মানিক সরকার বলেন, “আমাদের গ্রামের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা নিয়ে যিনি মানুষের পাশে থাকবেন, আমরা তাকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে চাই। রাসেল আহমেদের প্রতি মানুষের আগ্রহ রয়েছে।”
ঘাসী গ্রামের বাসিন্দা সুকান্ত সরকার বলেন, “রাসেল আহমেদকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন। এতে বোঝা যায়, তাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তিনি প্রার্থী হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন এলাকাবাসী।”
রাজ কুমার সরকার (বকুল) বলেন, “৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাতটি গ্রামের মানুষের মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করতে পারে—এমন একজন জনপ্রতিনিধি দরকার। রাসেল আহমেদ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাই তাকে মেম্বার হিসেবে দেখতে আগ্রহী অনেকেই।”
কাউয়ানি গ্রামের বাসিন্দা মোসারফ হোসেন বলেন, “এলাকার উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও সরকারি সেবাগুলো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে একজন সক্রিয় জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। রাসেল আহমেদকে নিয়ে মানুষের যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তা নির্বাচনের সময় আরও স্পষ্ট হবে।”
একই গ্রামের বাসিন্দা হোসেন মিয়া বলেন, “রাসেল আহমেদ যদি নির্বাচনে প্রার্থী হন, তাহলে তিনি মানুষের কাছে গিয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরবেন—এটাই আমরা আশা করি। এলাকার মানুষ যাকে যোগ্য মনে করবে, তাকেই ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে।”
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রামে রাসেল আহমেদকে নিয়ে আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চেয়ে একাধিক পোস্ট ও মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে এসব মতামত ব্যক্তিগত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজস্ব অবস্থান—চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে প্রার্থিতা ও ভোটের সিদ্ধান্ত ভোটাররাই দেবেন।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী রাসেল আহমেদ বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে চলছি। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ যদি আমাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান, তাহলে তাদের ভালোবাসা ও আস্থাকে আমি সম্মান করি। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে উপযুক্ত সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানাব। তবে সুযোগ পেলে কাউয়ানি, সানুয়া, মাকরদী, নোয়াবন, হাতপাঠন, ঘাসী ও শিশুয়া—এই সাতটি গ্রামের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করতে চাই।”
তবে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রাসেল আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে। এরই মধ্যে তাকে ঘিরে স্থানীয়দের আলোচনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য নির্বাচনী পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে


More News Of This Category