• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
দীর্ঘ ১০ মাস পর দায়িত্বে ফিরলেন জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত সুজন সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে ৪ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জেলা প্রশাসনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ২ জন হাসপাতালে ভর্তি দোয়ারাবাজারে জঙ্গলে বটবৃক্ষের নিচে ‘আস্তানা’ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক   দিরাই পৌরসভা নিবার্চনে মেয়র পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এড.ইকবাল হোসেন চৌধুরী চামরদানী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা এম শহীদ

পিসিওএস প্রতিরোধে কী খাবেন, কী খাবেন না

Reporter Name
Update : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

চলতি সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে পিসিওএস সচেতনতার মাস হিসেবে। বলা হয়, প্রতি ১০ জন নারীর একজন পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে ভুগছেন।

এ রোগ মূলত নারীদের শরীরে অ্যান্ড্রোজেন বা টেস্টোস্টেরনের মতো পুরুষ হরমোনের অতিরিক্ত উৎপাদন ও হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে হয়। এর কারণে মুখে পুরুষের মতো লোম, ব্রণ, অনিয়মিত মাসিক, চুল পড়া, মুড সুইং, বন্ধ্যত্বের মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

গবেষকেরা বলেন, পিসিওএস মূলত লাইফস্টাইল তথা জীবনযাপনসংক্রান্ত রোগ। অর্থাৎ কিশোরীকালে ওজন বৃদ্ধি, মন্দ খাদ্যাভ্যাস, কায়িক শ্রমহীনতা এর জন্য দায়ী। তাই পিসিওএসের চিকিৎসায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হলো ব্যালান্স ডায়েট। তাহলে দেখে নেওয়া যাক পিসিওএস প্রতিরোধে কী খাওয়া উচিত ও কী নয়।

যেসব খাবার খাবেন

সবুজ শাকসবজি: বেশি করে সবুজ শাকসবজি খান। ভিটামিনসমৃদ্ধ এসবে ক্যালরি কম। তাই ওজন হ্রাস ও পুষ্টির জন্য আদর্শ। সবুজ শাকসবজি, যেমন পুঁই, পালং প্রভৃতি ভিটামিন বির দুর্দান্ত উৎস।

লিন প্রোটিন: হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। লিন প্রোটিন হিসেবে মুরগি, টার্কি, টফু, স্যামন, চিংড়ি, টুনা, বিনস, প্রভৃতি খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

উপকারী চর্বি: সব চর্বি (ফ্যাট) কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়। এমন অনেক ‘স্বাস্থ্যকর চর্বি’ (হেলদি ফ্যাট) আছে, যেগুলো ডায়েটে রাখা যায়। যেমন অ্যাভোকাডো। হেলদি ফ্যাট এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস। বাদাম ও বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রোটিনের খুব ভালো উৎস।

অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাদ্য: এ তালিকায় রয়েছে স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, ওটস, গম, কাঠবাদাম, আখরোট এবং কালে, পালংশাক প্রভৃতি। অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার দ্বারা পিসিওএসের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ফাইবারসমৃদ্ধ খাদ্য: পিসিওএস হলে ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ওটস, ব্রাউন রাইস, ব্ল্যাক বিনস, মসুর ডাল, সানফ্লাওয়ার সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, চিয়া সিড প্রভৃতি ফাইবারের দুর্দান্ত উৎস। ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ।


More News Of This Category