• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
দীর্ঘ ১০ মাস পর দায়িত্বে ফিরলেন জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত সুজন সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে ৪ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জেলা প্রশাসনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ২ জন হাসপাতালে ভর্তি দোয়ারাবাজারে জঙ্গলে বটবৃক্ষের নিচে ‘আস্তানা’ ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক   দিরাই পৌরসভা নিবার্চনে মেয়র পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এড.ইকবাল হোসেন চৌধুরী চামরদানী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা এম শহীদ

নেত্রকোনায় পুলিশের মামলায় বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

Reporter Name
Update : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নেত্রকোনায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন খানসহ তিন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। আজ শনিবার ভোরে গাজীপুরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আবদুল্লাহ ওই মামলার প্রধান আসামি।

গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন আটপাড়া উপজেলার দুওজ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ মামীম হোসেন ও আটপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব টিটু ভূঁইয়া। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে ওই মামলায় ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার আল মামুন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ৩৪ জনের নামসহ ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ শনিবার সকাল পর্যন্ত ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার সকালে শহরের ছোটবাজার এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান জুয়েল পুলিশ ও বিএনপির অন্তত ৪০ জন আহত হন। এ সময় পুলিশ ৪টি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ৫১টি রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ওই দিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে বিএনপির ৫০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করে।


More News Of This Category