• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক,আল-আমিন ছাতকে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন চরমহল্লা শাখার সভাপতি তাজিদুল, সম্পাদক আলী আহমেদ সুনামগঞ্জ জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক কমিটির প্রথম পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত বাবার অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের আলোচনায় এম শহীদ, চামরদানী ইউনিয়নে বাড়ছে রাজনৈতিক সক্রিয়তা ৭ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ শিক্ষার্থীদের সচেতনতাই পারে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রুখতে:ওসি শাহাবুদ্দিন শাহিন যুবলীগ নেতা আলী আহমেদ মাহীনকে গ্রেপ্তার করেছে সোবহানিঘাট পুলিশ ফাঁড়ি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সুনামগঞ্জ নতুন কমিটি গঠন রানীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ঘাগটিয়া ঈদগাহ ও খেলার মাঠের জমি রক্ষায় মতবিনিময় সভা

সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় আসামী জানে আলম

Reporter Name
Update : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে রাষ্ট্রের জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আসামি হয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জানে আলম।

গত ৪ আগস্ট ছাতক থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর ১১। এতে জানে আলমকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে। একই মামলায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হাসানকে ১ নম্বর ও সহসভাপতি মাহবুব হাসানকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কয়েকজন সদস্য সমবেত হয়ে স্লোগান দেন। এ সময় স্থানীয় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কর্মীরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, মিছিল ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশ তদন্তের ভিত্তিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করে।

মামলার পর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের নির্দোষ হিসেবে গণ্য করা হবে।


More News Of This Category