শহীদুল ইসলাম রেদুয়ান : সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার গনিগঞ্জ বাজারস্থ বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে সরকার প্রদত্ত অনুদান এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনের সরকারি বেতন-ভাতার দাবিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দাবিতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দলীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় গনিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ মুরুব্বী মো. খলিলুর রহমান। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাব্বির আহমদ।
সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আব্দুল ওয়াদুদ, বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি মো. আব্দুল লতিফ, মুরুব্বী মো. আব্দুল হেকিম, সাবেক ইউপি সদস্য কবির আহমদ, জেলা ড্রাইভার শ্রমিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ তালুকদার, বিএনপি নেতা আব্দুল মকব্বির, তাজির আহমদ এবং উপজেলা যুবদল নেতা সাদ্দাম রেজা।
বক্তারা বলেন, গনিগঞ্জ বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদটি এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। তবে মসজিদটির নিজস্ব আয়ের উৎস সীমিত হওয়ায় ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতা প্রদান এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় নির্বাহে আর্থিক সংকট দেখা দিচ্ছে। এ কারণে মসজিদটিকে সরকারি অনুদানের আওতায় আনা এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনের জন্য সরকার নির্ধারিত বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ মিয়া, আব্দুর রহিম, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল সোবহান, শফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল জলিল, রোকম উদ্দিন, হাফিজুর রহমান, মোস্তফা মিয়া, জহিরুল ইসলাম, পাথারিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন, সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ, বিএনপি নেতা আঙ্গুর মিয়া, আঙ্গুর আলম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান, মো. মঈন উদ্দিন, জসীম উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এদিকে, একই দাবিতে গনিগঞ্জ গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন সরকারি বেতন-ভাতার সুবিধা পেলেও গনিগঞ্জ বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ এখনো এ সুবিধার আওতার বাইরে রয়েছে। তাই মসজিদটির ইমাম-মুয়াজ্জিনকে সরকারি বেতন-ভাতার আওতায় আনার পাশাপাশি সরকারি অনুদান বরাদ্দের উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়। সভা থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।