ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ছাতকে রাষ্ট্রের জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আসামি হয়েছেন গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জানে আলম।
গত ৪ আগস্ট ছাতক থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুর রহমান বাদী হয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর ১১। এতে জানে আলমকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে। একই মামলায় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হাসানকে ১ নম্বর ও সহসভাপতি মাহবুব হাসানকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৪ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কয়েকজন সদস্য সমবেত হয়ে স্লোগান দেন। এ সময় স্থানীয় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কর্মীরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, মিছিল ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশ তদন্তের ভিত্তিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করে।
মামলার পর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মামলার অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের নির্দোষ হিসেবে গণ্য করা হবে।