দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডটি কাউয়ানি, সানুয়া, মাকরদী, নোয়াবন, হাতপাঠন, ঘাসী ও শিশুয়া—এই সাতটি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এসব গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে রাসেল আহমেদের যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
মাকরদী গ্রামের বাসিন্দা উনু সরকার বলেন, “রাসেল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। আমরা চাই, তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ পান।”
সানুয়া গ্রামের বাসিন্দা সুমন সরকার বলেন, “রাসেলকে নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এবং সবার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে চলেন। তাই তাকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই।”
নোয়াবন গ্রামের বাসিন্দা উত্রম সরকার বলেন, “জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় বিষয় হলো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। রাসেল আহমেদের মানুষের সঙ্গে সেই যোগাযোগ রয়েছে। তিনি প্রার্থী হলে আমরা তাকে নিয়ে ইতিবাচকভাবে ভাবছি।”
হাতপাঠন গ্রামের বাসিন্দা মানিক সরকার বলেন, “আমাদের গ্রামের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা নিয়ে যিনি মানুষের পাশে থাকবেন, আমরা তাকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে চাই। রাসেল আহমেদের প্রতি মানুষের আগ্রহ রয়েছে।”
ঘাসী গ্রামের বাসিন্দা সুকান্ত সরকার বলেন, “রাসেল আহমেদকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন। এতে বোঝা যায়, তাকে ঘিরে মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তিনি প্রার্থী হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন এলাকাবাসী।”
রাজ কুমার সরকার (বকুল) বলেন, “৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাতটি গ্রামের মানুষের মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করতে পারে—এমন একজন জনপ্রতিনিধি দরকার। রাসেল আহমেদ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাই তাকে মেম্বার হিসেবে দেখতে আগ্রহী অনেকেই।”
কাউয়ানি গ্রামের বাসিন্দা মোসারফ হোসেন বলেন, “এলাকার উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও সরকারি সেবাগুলো মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে একজন সক্রিয় জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন। রাসেল আহমেদকে নিয়ে মানুষের যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তা নির্বাচনের সময় আরও স্পষ্ট হবে।”
একই গ্রামের বাসিন্দা হোসেন মিয়া বলেন, “রাসেল আহমেদ যদি নির্বাচনে প্রার্থী হন, তাহলে তিনি মানুষের কাছে গিয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরবেন—এটাই আমরা আশা করি। এলাকার মানুষ যাকে যোগ্য মনে করবে, তাকেই ভোটের মাধ্যমে বেছে নেবে।”
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রামে রাসেল আহমেদকে নিয়ে আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চেয়ে একাধিক পোস্ট ও মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে এসব মতামত ব্যক্তিগত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজস্ব অবস্থান—চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে প্রার্থিতা ও ভোটের সিদ্ধান্ত ভোটাররাই দেবেন।
এ বিষয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী রাসেল আহমেদ বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে চলছি। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ যদি আমাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান, তাহলে তাদের ভালোবাসা ও আস্থাকে আমি সম্মান করি। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে উপযুক্ত সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত জানাব। তবে সুযোগ পেলে কাউয়ানি, সানুয়া, মাকরদী, নোয়াবন, হাতপাঠন, ঘাসী ও শিশুয়া—এই সাতটি গ্রামের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করতে চাই।”
তবে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রাসেল আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে। এরই মধ্যে তাকে ঘিরে স্থানীয়দের আলোচনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য নির্বাচনী পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।