তাঁর বিদায় উপলক্ষে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গ্রাহক এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি গ্রাহকদের আন্তরিক, দ্রুত ও সেবামুখী ব্যাংকিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে সবার আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন বলে অনেক গ্রাহক ও স্থানীয় বাসিন্দা অভিমত ব্যক্ত করেন।
বিশেষ করে কৃষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং সাধারণ গ্রাহকদের ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত করতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেছেন বলে গ্রাহকদের অভিযোগহীন সেবাপ্রাপ্তির অভিজ্ঞতায় উঠে আসে।
শেষ কর্মদিবসে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও গ্রাহকেরা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর সুস্বাস্থ্য, সুখ ও কর্মজীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তাঁদের অনেকেরই প্রত্যাশা, তিনি ভবিষ্যতেও একই সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন।
স্থানীয় অনেক গ্রাহক বলেন, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর বিদায়ে মধ্যনগর কৃষি ব্যাংক শাখা একজন দক্ষ, সৎ ও গ্রাহকবান্ধব কর্মকর্তাকে হারালো। তাঁর কর্মদক্ষতা ও মানবিক আচরণ দীর্ঘদিন গ্রাহকদের মনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।