• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
Headline
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে জটিল সিজারে সফলতা, আস্থা বাড়ছে ডাঃ লিপিকা দাসের প্রতি টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুতে এসে পর্যটকবাহী হাউসবোট থেকে পড়ে এক শিশু নিখোঁজ দুবাই প্রবাসী রইছ মিয়াকে সংবর্ধনা এলজি’র এম্বাসেডর হলেন গাবুরা’র হাবিবুল্লাহ আল মামুন বর্ণাঢ্য র‍্যালি-পথসভায় সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ক্যান্সার আক্রান্ত মোশাররফের পাশে প্রবাসী সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা ধর্মপাশা কোর্টের সামন থেকে বিএনপি নেতা কর্তৃক ইজারাদারকে ধরে নিয়ে মারধর করে ভুল স্বীকারোক্তি সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জ ও সদরের নতুন ইউএনও হিসেবে হিল্লোল চাকমা ও রুহুল আমিনের যোগদান দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাসেল আহমেদকে মেম্বার হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী দৈনিক ঘোষণা’র প্রতিনিধি সম্মেলনে’প্রশিক্ষণ সনদ পেলেন স্টাফ রিপোর্টার শফিকুল বারী

চোর সন্দেহে উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও চিকিৎসক, আনসার সদস্য ও হাসপাতাল কর্মীদের মানবিক উদ্যোগে স্বজনদের খুঁজতে পুলিশি সহায়তা

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

এম আর সজিব,নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চোর সন্দেহে উত্তেজিত জনতার হাতে গণপিটুনির আশঙ্কায় থাকা এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মানবিক উদ্যোগে উদ্ধার করে থানার হেফাজতে নিয়েছে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।

জানা যায়, পরিচয়হীন ওই যুবককে হাসপাতাল ওয়ার্ডে ঘোরাফেরা করতে দেখে প্রথমে অনেকেই তাকে চোর বলে সন্দেহ করেন। একপর্যায়ে তাকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে গণপিটুনির আশঙ্কা দেখা দেয়।
এ সময় হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা ধৈর্যের সঙ্গে তার সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারেন, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। পরে বিষয়টি হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সনজিত রঞ্জন তালুকদারকে অবহিত করা হয়। চিকিৎসক, আনসার সদস্য ও হাসপাতালের কর্মীরা মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তাকে নিরাপদে রাখেন এবং সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় খবর দেন।

খবর পেয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, পিপিএম দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে যুবকটিকে স্নেহ ও যত্নের সঙ্গে থানার হেফাজতে নিয়ে যান। বর্তমানে তাকে নিরাপদে রাখা হয়েছে এবং তার পরিবারের সন্ধান পেতে কাজ করছে পুলিশ।

যুবকটি নিজের নাম অর্পণ পাল (২০) বলে জানাতে পারলেও সম্পূর্ণ ঠিকানা বলতে পারেনি। তার ভাষ্যমতে, তার বাড়ি সিলেট অঞ্চলে। মানসিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তার কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

এই মানবিক কাজে হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. সনজিত রঞ্জন তালুকদার, আনসার সদস্য মো. আলিম উদ্দিন আলী, সাইদুর রহমান ও আরমান হোসেন এবং হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় রওশন আলী ও পিয়াল হোসেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ যুবকটির স্বজনদের খুঁজে বের করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে। কেউ তার পরিচয় বা পরিবারের বিষয়ে তথ্য জানলে নিকটস্থ থানায় অথবা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করেছে, সচেতনতা ও মানবিক আচরণ একটি নিরীহ মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে। অনেক সময় সন্দেহের বশবর্তী হয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করাই সবচেয়ে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।


More News Of This Category